কেয়ামতের দিন একশ্রেণির মানুষকে পিঁপড়ার ন্যায় ক্ষুদ্রাকারে পুনরুত্থিত করা হবে। চরম অপমান ও লাঞ্ছনা তাদের চারদিক থেকে ঘিরে থাকবে। অতঃপর তাদেরকে জাহান্নামের এক ভয়াবহ কারাগারে নিক্ষেপ করা হবে।
কেয়ামতের দিন
একদিন পৃথিবীর আয়ু শেষ হয়ে যাবে। কেয়ামত বা মহাপ্রলয়ের মাধ্যমে সৃষ্টিকূল ধ্বংস হয়ে যাবে। ইসলামি পরিভাষায় ‘কেয়ামত বলা হয় ওই দিনকে
কেয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে কিছু মানুষ। বড় শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে তাদের।
আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, যেদিন আরশের ছায়া ছাড়া কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ তাআলা সাত ব্যক্তিকে ছায়া দান করবেন।.......
কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সবাইকে পুনরুত্থান করবেন। অতঃপর ফয়সালার জন্য খালি পায়ে, খালি শরীরে, খাৎনাবিহীন অবস্থায় ময়দার রুটির রংয়ের মতো লালচে সাদা (উদ্ভিদহীন, ঘরবাড়িহীন) একটি জমিনে একত্র করবেন। যা আমাদের কাছে হাশরের ময়দান নামে পরিচিত। সেদিন অবস্থা এমন ভয়াবহ হবে যে একজন অপরজনের দিকে তাকানোরও ফুরসত পাবে না। (বুখারি: ৬৫২৭; মেশকাত: ৫৫৩২)